১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন: নয়াপল্টনে উৎসবের জোয়ার

দীর্ঘ ১৮ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে যখন তার গাড়ি বহর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে থামে, তখন সেখানে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও নজিরবিহীন দৃশ্য।দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে প্রিয় নেতার এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে পুরো নয়াপল্টন এলাকা আজ উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।

তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়কে সাজানো হয়েছে এক রাজকীয় সাজে। ব্যানার, ফেস্টুন আর আলোকসজ্জায় পুরো এলাকা নতুন রূপ পেয়েছে। দীর্ঘ সময় পর দলের শীর্ষ নেতাকে সশরীরে কাছে পেয়ে কেন্দ্রীয় দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ছিল বাঁধভাঙা আনন্দ। কার্যালয়ের প্রবেশপথে তাকে পুষ্পবৃষ্টি ও ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়। এই সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যা উপস্থিত নেতাকর্মীদের চোখে জল এনে দেয়।

ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী নয়াপল্টন এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে জনসমুদ্রের আকার ধারণ করে এই জমায়েত। স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে রাজপথ। দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে যে নেতার কণ্ঠ ছিল কেবল ভিডিও বার্তায় বা ডিজিটাল পর্দায় সীমাবদ্ধ, তাকে সরাসরি দেখার জন্য সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

২০০৮ সালের পর থেকে তারেক রহমানের এই অনুপস্থিতি দলটির জন্য ছিল এক বড় পরীক্ষা। আজ তার কার্যালয়ে আগমনের মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, এটি কেবল একটি সাধারণ সফর নয়, বরং এটি তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের এক বড় বিজয়। নয়াপল্টনের প্রতিটি গলিতে আজ যেন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

তারেক রহমানের এই আগমন বিএনপির রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। প্রিয় নেতাকে দীর্ঘ ১৮ বছর পর নিজের দপ্তরে ফিরে পেতে পেরে উজ্জীবিত পুরো দল।

জনপ্রিয়

এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন: নয়াপল্টনে উৎসবের জোয়ার

প্রকাশিত : ০৮:৪২:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৮ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে যখন তার গাড়ি বহর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে থামে, তখন সেখানে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও নজিরবিহীন দৃশ্য।দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে প্রিয় নেতার এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে পুরো নয়াপল্টন এলাকা আজ উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।

তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়কে সাজানো হয়েছে এক রাজকীয় সাজে। ব্যানার, ফেস্টুন আর আলোকসজ্জায় পুরো এলাকা নতুন রূপ পেয়েছে। দীর্ঘ সময় পর দলের শীর্ষ নেতাকে সশরীরে কাছে পেয়ে কেন্দ্রীয় দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ছিল বাঁধভাঙা আনন্দ। কার্যালয়ের প্রবেশপথে তাকে পুষ্পবৃষ্টি ও ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়। এই সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যা উপস্থিত নেতাকর্মীদের চোখে জল এনে দেয়।

ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী নয়াপল্টন এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে জনসমুদ্রের আকার ধারণ করে এই জমায়েত। স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে রাজপথ। দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে যে নেতার কণ্ঠ ছিল কেবল ভিডিও বার্তায় বা ডিজিটাল পর্দায় সীমাবদ্ধ, তাকে সরাসরি দেখার জন্য সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

২০০৮ সালের পর থেকে তারেক রহমানের এই অনুপস্থিতি দলটির জন্য ছিল এক বড় পরীক্ষা। আজ তার কার্যালয়ে আগমনের মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, এটি কেবল একটি সাধারণ সফর নয়, বরং এটি তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের এক বড় বিজয়। নয়াপল্টনের প্রতিটি গলিতে আজ যেন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

তারেক রহমানের এই আগমন বিএনপির রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। প্রিয় নেতাকে দীর্ঘ ১৮ বছর পর নিজের দপ্তরে ফিরে পেতে পেরে উজ্জীবিত পুরো দল।