০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

মাতৃহারা তারেক রহমান: বিএনপির নীতিনির্ধারণী বৈঠকে শোকের ছায়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শুধু রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিই নয়, বরং এক গভীর ব্যক্তিগত শোকের সাগরে নিমজ্জিত হয়েছেন তাঁর পরিবার। দীর্ঘ লড়াই ও চড়াই-উতরাইয়ের সাথী প্রিয় মাকে হারিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন শোকে স্তব্ধ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকে তাঁর এই বিমর্ষ ও নির্বাক উপস্থিতি সবাইকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

শোকাভিভূত নীতিনির্ধারণী বৈঠক বেগম জিয়ার মৃত্যুর পর পরবর্তী করণীয় ও জানাজা-দাফনের সিদ্ধান্ত নিতে বসা এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান। তবে চিরচেনা তেজস্বী নেতার পরিবর্তে সেখানে দেখা যায় এক শোকাতুর সন্তানকে। বৈঠকের যে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে দেখা যায় তারেক রহমান অত্যন্ত বিমর্ষ হয়ে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। স্মৃতির পটে যেন ভেসে উঠছে মায়ের সাথে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত। পুরো বৈঠকজুড়ে তিনি ছিলেন প্রায় নিশ্চুপ, যা উপস্থিত নেতা ও দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে।

নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও জনমগ্ন শোক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ড. আব্দুল মঈন খানসহ শীর্ষ নেতারা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। নেত্রীকে হারানোর শোক আর নেতার এমন বিমর্ষ অবস্থা দেখে অনেককেই চোখের জল মুছতে দেখা যায়। অনলাইনে নেটিজেনরা তারেক রহমানের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলছেন, রাজনীতির কঠিন ময়দানে লড়াকু এই মানুষটি আজ কেবলই একজন শোকাতুর সন্তান।

জানাজা ও শেষ বিদায় স্থায়ী কমিটির এই বৈঠক থেকেই দলীয় ও রাষ্ট্রীয় সম্মানের সাথে বেগম জিয়ার জানাজা ও দাফনের যাবতীয় বিষয় সমন্বয় করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে দাফন করা হবে।

শোকের এই কঠিন সময়ে তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের প্রতি সারা দেশের সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক কর্মীরা গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করছেন।

জনপ্রিয়

মাতৃহারা তারেক রহমান: বিএনপির নীতিনির্ধারণী বৈঠকে শোকের ছায়া

প্রকাশিত : ০৮:০৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শুধু রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিই নয়, বরং এক গভীর ব্যক্তিগত শোকের সাগরে নিমজ্জিত হয়েছেন তাঁর পরিবার। দীর্ঘ লড়াই ও চড়াই-উতরাইয়ের সাথী প্রিয় মাকে হারিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন শোকে স্তব্ধ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকে তাঁর এই বিমর্ষ ও নির্বাক উপস্থিতি সবাইকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

শোকাভিভূত নীতিনির্ধারণী বৈঠক বেগম জিয়ার মৃত্যুর পর পরবর্তী করণীয় ও জানাজা-দাফনের সিদ্ধান্ত নিতে বসা এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান। তবে চিরচেনা তেজস্বী নেতার পরিবর্তে সেখানে দেখা যায় এক শোকাতুর সন্তানকে। বৈঠকের যে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে দেখা যায় তারেক রহমান অত্যন্ত বিমর্ষ হয়ে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। স্মৃতির পটে যেন ভেসে উঠছে মায়ের সাথে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত। পুরো বৈঠকজুড়ে তিনি ছিলেন প্রায় নিশ্চুপ, যা উপস্থিত নেতা ও দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে।

নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও জনমগ্ন শোক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ড. আব্দুল মঈন খানসহ শীর্ষ নেতারা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। নেত্রীকে হারানোর শোক আর নেতার এমন বিমর্ষ অবস্থা দেখে অনেককেই চোখের জল মুছতে দেখা যায়। অনলাইনে নেটিজেনরা তারেক রহমানের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলছেন, রাজনীতির কঠিন ময়দানে লড়াকু এই মানুষটি আজ কেবলই একজন শোকাতুর সন্তান।

জানাজা ও শেষ বিদায় স্থায়ী কমিটির এই বৈঠক থেকেই দলীয় ও রাষ্ট্রীয় সম্মানের সাথে বেগম জিয়ার জানাজা ও দাফনের যাবতীয় বিষয় সমন্বয় করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে দাফন করা হবে।

শোকের এই কঠিন সময়ে তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের প্রতি সারা দেশের সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক কর্মীরা গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করছেন।