১২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

রাষ্ট্রীয় শোক ও জাতীয় নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা: আগামীকাল বুধবার সাধারন ছুটি

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বেগম খালেদা জিয়াকে “গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক” এবং “মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব” হিসেবে অভিহিত করেন। শোকাতুর জাতির প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন:

১. রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি

বেগম জিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে:

  • তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক: আজ থেকে তিন দিন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

  • সাধারণ ছুটি: আগামীকাল (বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর) সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

২. গণতন্ত্রের সংগ্রামে অসামান্য অবদান

অধ্যাপক ইউনূস তাঁর ভাষণে বেগম জিয়ার রাজনৈতিক আপসহীনতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন:

  • তিনি ছিলেন স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের এক অবিচল কণ্ঠস্বর।

  • বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

  • দেশ ও মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

৩. শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান

নেত্রীর প্রয়াণে আবেগাপ্লুত দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন:

  • জানাজাসহ সকল আনুষ্ঠানিকতা পালনে অত্যন্ত সতর্ক ও সুশৃঙ্খল থাকতে হবে।

  • শোকের এই সময়কে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতামূলক কাজ করতে না পারে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে।

  • তিনি বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবার ও কোটি কোটি কর্মী-সমর্থকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।”বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব… এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।” — অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

জনপ্রিয়

রাষ্ট্রীয় শোক ও জাতীয় নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা: আগামীকাল বুধবার সাধারন ছুটি

প্রকাশিত : ১২:৪০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বেগম খালেদা জিয়াকে “গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক” এবং “মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব” হিসেবে অভিহিত করেন। শোকাতুর জাতির প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন:

১. রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি

বেগম জিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে:

  • তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক: আজ থেকে তিন দিন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

  • সাধারণ ছুটি: আগামীকাল (বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর) সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

২. গণতন্ত্রের সংগ্রামে অসামান্য অবদান

অধ্যাপক ইউনূস তাঁর ভাষণে বেগম জিয়ার রাজনৈতিক আপসহীনতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন:

  • তিনি ছিলেন স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের এক অবিচল কণ্ঠস্বর।

  • বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

  • দেশ ও মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

৩. শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান

নেত্রীর প্রয়াণে আবেগাপ্লুত দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন:

  • জানাজাসহ সকল আনুষ্ঠানিকতা পালনে অত্যন্ত সতর্ক ও সুশৃঙ্খল থাকতে হবে।

  • শোকের এই সময়কে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতামূলক কাজ করতে না পারে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে।

  • তিনি বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবার ও কোটি কোটি কর্মী-সমর্থকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।”বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব… এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।” — অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস