বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নক্ষত্র বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর জীবনসঙ্গী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে তাঁর শেষ বিদায়ের সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জানাজার সময় ও স্থান
-
তারিখ: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর (আগামীকাল)।
-
সময়: বাদ জোহর।
-
স্থান: মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা।
এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন।জানাজা শেষে বেগম জিয়াকে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলের পাশেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। দলীয় সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শেষ মুহূর্তের স্মৃতি
মঙ্গলবার ভোর ৬টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যখন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, তখন তাঁর শয্যাপাশে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:
-
ডা. জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান।
-
প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শার্মিলী রহমান সিঁথি।
-
বেগম জিয়ার ভাই শামীম এসকান্দার ও বোন সেলিনা ইসলাম।
-
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
৮০ বছর বয়সী এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিস এবং আর্থ্রাইটিসের মতো মারাত্মক ব্যাধিতে ভুগছিলেন। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীনে আপ্রাণ চেষ্টা চললেও শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে তিনি পরাজিত হন।
আগামীকাল বুধবার বেগম জিয়ার জানাজা ও দাফন উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সাধারণ ছুটি থাকবে। মহান এই নেত্রীর প্রয়াণে জাতি আজ গভীরভাবে শোকাহত।
নিজস্ব প্রতিবেদক 









