০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি: স্থিতিশীলতা ও সংস্কারের অনিবার্যতা

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, যিনি একসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি কালবেলার সাথে কথোপকথনে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা নিয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ‘স্থিতিশীল’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তাঁর মতে, সামষ্টিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে এই স্থিতিশীলতা এসেছে। ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ, ফরেন এক্সচেঞ্জ রেট এবং মূল্যস্ফীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো স্থিতিশীলতা অর্জন করেছে।এনার্জি ক্রাইসিস আগের চেয়ে ভালো পর্যায়ে আছে। রপ্তানি আয় (বিশেষত তৈরি পোশাক) এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। রাজস্ব সংগ্রহ গত বছরের প্রথম চার মাসের কম অবস্থা থেকে এখন ওপরে উঠছে। ব্যবসায় গতি ফিরে আসছে এবং বাইরে থেকে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ দেখানোর সম্ভাবনাও দেখা দিচ্ছে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, বর্তমানে মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। মূল্যস্ফীতি কমানো ও ব্যাংক খাতকে পুনর্গঠনের একই লক্ষ্যে উভয় নীতি কাজ করছে।

দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতায় ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর দুর্বলতা সব ক্ষেত্রেই বিদ্যমান বলে মনে করেন, তবে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। রাজস্ব আহরণ কম, কারণ সংগ্রহ পদ্ধতিতে দুর্বলতা, ‘লিকেজ’ এবং কর এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। দুর্নীতি দূর করতে সময় লাগছে, কারণ আগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অভ্যস্ততা থেকে বেরিয়ে আসতে সময় প্রয়োজন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতা। ট্যারিফসহ অন্যান্য নীতিগত জায়গায় উন্নতি করতে হবে। সংস্কারের মূল লক্ষ্য শুধু আইনগত সংস্কার নয়, বরং প্রক্রিয়াগত সংস্কার আনা।

ড. আহমেদ তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের সময় ব্যাংক খাতকে ‘ভঙ্গুর অবস্থায়’ দেখেছিলেন, কিন্তু এখন সেখানে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। ব্যাংক খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির মূল কারণ হলো তদারকি ও সুশাসনের অভাব। ব্যাংকের মালিক বা এমডিদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো এবং ‘কিছু মানুষকে সন্তুষ্ট করার’ সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, যা ব্যাংকিং বিবেচনার বাইরে। একই ব্যক্তির একাধিক ব্যবসা, মিডিয়া চ্যানেল এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ব্যাংক খাতে দুর্নীতির জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের যথেষ্ট স্বাধীনতা আছে। তবে একটি সার্বভৌম দেশে এটি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকতে পারে না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও কিছু রাষ্ট্রমালিকানা প্রতিষ্ঠানের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃত্ব বা প্রভাব কম। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের স্ট্রাকচার পর্যবেক্ষণ করার সময় এসেছে বলে মনে করেন, যেখানে লোকবল বেশি হলেও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। তিনি এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন। তাঁর মতে, যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে, সেগুলোর মূলত ম্যানেজমেন্ট সমস্যা, তারল্যের সমস্যা এবং আমানতকারীদের আস্থা হারানো ছিল প্রধান কারণ। একত্রীকরণের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো শক্তিশালী হবে এবং মানুষের আস্থা ফিরে আসবে।এই খাতের আমানতকারীদের ক্ষতির বিষয়ে সরকার দায়বদ্ধ। তিনি জানান, খারাপ অবস্থায় থাকা এনবিএফআইগুলোকে চিহ্নিত করে মার্জ করা বা বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রবৃদ্ধি বা আয়ের সুবিধা সমাজের পিছিয়ে পড়াদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। সুবিধাগুলো যাচ্ছে সম্পদশালী ও কর্মসংস্থান আছে এমন শ্রেণির কাছে। বাংলাদেশে শুধু আয়ে নয়, সুযোগেও বৈষম্য রয়ে গেছে (শিক্ষা, বাসস্থান, সম্পদের মালিকানা)। সবচেয়ে বড় বাধা হলো নীতি কাঠামো ও প্রশাসনিক দুর্বলতা। বিনিয়োগের জন্য রেগুলেটরি সাপোর্ট ও আইনকানুন বিনিয়োগবান্ধব হতে হবে। জমি অধিগ্রহণ ও রেজিস্ট্রেশনে দীর্ঘসূত্রতা, ট্যাক্স পলিসির স্থিতিশীলতার অভাব এবং নীতিতে ঘন ঘন পরিবর্তন (সরকার বা প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিবর্তনে) বৈদেশিক বিনিয়োগের পথে প্রধান বাধা।ড. আহমেদ এসএমইকে বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। তিনি ব্যাংকগুলোর সেকেলে ওরিয়েন্টেশনকে দায়ী করেন। ব্যাংকগুলো এখনো মহাজনের মতো কোলাটেরালভিত্তিক চিন্তা করছে, উদ্যোক্তা গড়ে তোলা এবং ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা দেখাচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই ফান্ড থাকলেও উদ্যোগে ঘাটতি আছে।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতি ফিরিয়ে আনতে জরুরি তিনটি অর্থনৈতিক সংস্কার হলো: ব্যাংকের সংখ্যা নয়, সার্ভিসের মান বাড়ানো।অতিসত্বর নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করা। রাজস্ব আদায় ও রাজস্ব খাত সংস্কার করে নিজস্ব আয় বাড়ানো, যাতে বাইরের ঋণের ওপর নির্ভরতা কম হয়।

আগামীতে যে সরকার আসবে, তাদের জন্য তাঁর পরামর্শ হলো: প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষ করা এবং আমলাতন্ত্রকে জবাবদিহির মধ্যে আনাদুর্নীতি কমিয়ে নিয়ে আসা। শুধু বড় নয়, উদ্যোগী ছোট ব্যবসায়ীদেরও সহায়তা করা। সুযোগকে সমাজের সর্বস্তরে (কৃষক, শ্রমিক, গার্মেন্টস, নারী) ছড়িয়ে দেওয়া।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের বিশাল সংগ্রহ, টেক্টরের বিধ্বংসী ইনিংস

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি: স্থিতিশীলতা ও সংস্কারের অনিবার্যতা

প্রকাশিত : ০৩:২১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, যিনি একসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি কালবেলার সাথে কথোপকথনে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা নিয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ‘স্থিতিশীল’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তাঁর মতে, সামষ্টিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে এই স্থিতিশীলতা এসেছে। ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ, ফরেন এক্সচেঞ্জ রেট এবং মূল্যস্ফীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো স্থিতিশীলতা অর্জন করেছে।এনার্জি ক্রাইসিস আগের চেয়ে ভালো পর্যায়ে আছে। রপ্তানি আয় (বিশেষত তৈরি পোশাক) এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। রাজস্ব সংগ্রহ গত বছরের প্রথম চার মাসের কম অবস্থা থেকে এখন ওপরে উঠছে। ব্যবসায় গতি ফিরে আসছে এবং বাইরে থেকে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ দেখানোর সম্ভাবনাও দেখা দিচ্ছে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, বর্তমানে মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। মূল্যস্ফীতি কমানো ও ব্যাংক খাতকে পুনর্গঠনের একই লক্ষ্যে উভয় নীতি কাজ করছে।

দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতায় ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর দুর্বলতা সব ক্ষেত্রেই বিদ্যমান বলে মনে করেন, তবে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। রাজস্ব আহরণ কম, কারণ সংগ্রহ পদ্ধতিতে দুর্বলতা, ‘লিকেজ’ এবং কর এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। দুর্নীতি দূর করতে সময় লাগছে, কারণ আগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অভ্যস্ততা থেকে বেরিয়ে আসতে সময় প্রয়োজন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতা। ট্যারিফসহ অন্যান্য নীতিগত জায়গায় উন্নতি করতে হবে। সংস্কারের মূল লক্ষ্য শুধু আইনগত সংস্কার নয়, বরং প্রক্রিয়াগত সংস্কার আনা।

ড. আহমেদ তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের সময় ব্যাংক খাতকে ‘ভঙ্গুর অবস্থায়’ দেখেছিলেন, কিন্তু এখন সেখানে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। ব্যাংক খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির মূল কারণ হলো তদারকি ও সুশাসনের অভাব। ব্যাংকের মালিক বা এমডিদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো এবং ‘কিছু মানুষকে সন্তুষ্ট করার’ সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, যা ব্যাংকিং বিবেচনার বাইরে। একই ব্যক্তির একাধিক ব্যবসা, মিডিয়া চ্যানেল এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ব্যাংক খাতে দুর্নীতির জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের যথেষ্ট স্বাধীনতা আছে। তবে একটি সার্বভৌম দেশে এটি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকতে পারে না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও কিছু রাষ্ট্রমালিকানা প্রতিষ্ঠানের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃত্ব বা প্রভাব কম। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের স্ট্রাকচার পর্যবেক্ষণ করার সময় এসেছে বলে মনে করেন, যেখানে লোকবল বেশি হলেও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। তিনি এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন। তাঁর মতে, যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে, সেগুলোর মূলত ম্যানেজমেন্ট সমস্যা, তারল্যের সমস্যা এবং আমানতকারীদের আস্থা হারানো ছিল প্রধান কারণ। একত্রীকরণের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো শক্তিশালী হবে এবং মানুষের আস্থা ফিরে আসবে।এই খাতের আমানতকারীদের ক্ষতির বিষয়ে সরকার দায়বদ্ধ। তিনি জানান, খারাপ অবস্থায় থাকা এনবিএফআইগুলোকে চিহ্নিত করে মার্জ করা বা বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রবৃদ্ধি বা আয়ের সুবিধা সমাজের পিছিয়ে পড়াদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। সুবিধাগুলো যাচ্ছে সম্পদশালী ও কর্মসংস্থান আছে এমন শ্রেণির কাছে। বাংলাদেশে শুধু আয়ে নয়, সুযোগেও বৈষম্য রয়ে গেছে (শিক্ষা, বাসস্থান, সম্পদের মালিকানা)। সবচেয়ে বড় বাধা হলো নীতি কাঠামো ও প্রশাসনিক দুর্বলতা। বিনিয়োগের জন্য রেগুলেটরি সাপোর্ট ও আইনকানুন বিনিয়োগবান্ধব হতে হবে। জমি অধিগ্রহণ ও রেজিস্ট্রেশনে দীর্ঘসূত্রতা, ট্যাক্স পলিসির স্থিতিশীলতার অভাব এবং নীতিতে ঘন ঘন পরিবর্তন (সরকার বা প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিবর্তনে) বৈদেশিক বিনিয়োগের পথে প্রধান বাধা।ড. আহমেদ এসএমইকে বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। তিনি ব্যাংকগুলোর সেকেলে ওরিয়েন্টেশনকে দায়ী করেন। ব্যাংকগুলো এখনো মহাজনের মতো কোলাটেরালভিত্তিক চিন্তা করছে, উদ্যোক্তা গড়ে তোলা এবং ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা দেখাচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই ফান্ড থাকলেও উদ্যোগে ঘাটতি আছে।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতি ফিরিয়ে আনতে জরুরি তিনটি অর্থনৈতিক সংস্কার হলো: ব্যাংকের সংখ্যা নয়, সার্ভিসের মান বাড়ানো।অতিসত্বর নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করা। রাজস্ব আদায় ও রাজস্ব খাত সংস্কার করে নিজস্ব আয় বাড়ানো, যাতে বাইরের ঋণের ওপর নির্ভরতা কম হয়।

আগামীতে যে সরকার আসবে, তাদের জন্য তাঁর পরামর্শ হলো: প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষ করা এবং আমলাতন্ত্রকে জবাবদিহির মধ্যে আনাদুর্নীতি কমিয়ে নিয়ে আসা। শুধু বড় নয়, উদ্যোগী ছোট ব্যবসায়ীদেরও সহায়তা করা। সুযোগকে সমাজের সর্বস্তরে (কৃষক, শ্রমিক, গার্মেন্টস, নারী) ছড়িয়ে দেওয়া।