চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের আমন্ত্রণে আগে ব্যাট করে শক্তিশালী সংগ্রহ গড়েছে আয়ারল্যান্ড। প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তারা ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান তুলেছে, যা বাংলাদেশের সামনে একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
ইনিংসের মূল আকর্ষণ হ্যারি টেক্টর: আয়ারল্যান্ডের এই বিশাল সংগ্রহের পেছনে মূল অবদান রেখেছেন হার্ডহিটার ব্যাটার হ্যারি টেক্টর। তিনি ৪৫ বলেই অপরাজিত ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে বড় লক্ষ্য পর্যন্ত নিয়ে যান। তার ইনিংসে ছিল ৫টি বিশাল ছক্কা, যা বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের গতিপথ: বাংলাদেশ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলে শুরুটা তুলনামূলক ভালো ছিল। তবে আয়ারল্যান্ডের টপ অর্ডারের আক্রমণাত্মক মানসিকতা বাংলাদেশের বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেয়।
-
অধিনায়ক পল স্টার্লিং (২১ রান, ১৮ বল): শুরুতেই চড়াও হয়ে ৪টি চারের সাহায্যে ২১ রান করে সাজঘরে ফিরলেও আয়ারল্যান্ডকে একটি ভালো সূচনা এনে দেন।
-
টিম টেক্টর (৩২ রান, ১৯ বল): স্টার্লিংয়ের বিদায়ের পর আরেক তরুণ ব্যাটার টিম টেক্টর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন। ৬টি চমকপ্রদ চারের সাহায্যে মাত্র ১৯ বলে ৩২ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। রিশাদ হোসেন তাকে আউট করে বিরতি টানেন।
-
হ্যারি টেক্টর (৬৯ রান, ৪৫ বল, অপরাজিত): দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর থেকেই ম্যাচের চিত্র বদলাতে শুরু করে। হ্যারি টেক্টর একদিকে ঠাণ্ডা মাথায় ইনিংস গড়েন, অন্যদিকে প্রয়োজনমতো বড় শট খেলেন এবং তার ৫টি ছক্কায় আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের গতি বাড়তে থাকে।
-
লোরকান টাকার (১৮ রান, ১৪ বল) ও কার্টিস ক্যাম্ফার (২৪ রান, ১৭ বল): এই দুজন ছোট ছোট কিন্তু মূল্যবান ইনিংস খেলে দলের রানকে এগিয়ে নিয়ে যান।
বাংলাদেশের বোলিং: বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তানজিম হাসান সাকিব সবচেয়ে সফল ছিলেন, নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তিনি ২ উইকেট তুলে নেন। শরিফুল ইসলাম ১ উইকেট পেলেও তুলনামূলক বেশি রান খরচ করেন। রিশাদ হোসেনও একটি উইকেট পেলেও তার ওভারগুলোতে আয়ারল্যান্ডকে থামানো যায়নি। ডেথ ওভারেও বাংলাদেশের বোলাররা আইরিশদের ব্যাটিংয়ের সামনে ব্যর্থ হন, মাঝের ও শেষ পাঁচ ওভারে আয়ারল্যান্ড তোলে ৫৪ রান, যা তাদের ইনিংসকে ১৮০ এর ওপরে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 













