০৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

“গণতন্ত্রের মা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন”: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই আবেগঘন বক্তব্য তাঁর প্রতি নেতাকর্মীদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যখন বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, তখন তাঁর কণ্ঠে ছিল গভীর শোক ও হাহাকার। তিনি বেগম জিয়াকে “গণতন্ত্রের মা” হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা কোনোদিন পূরণ হওয়ার নয়।

  • অপ্রত্যাশিত বিদায়: মির্জা ফখরুল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “এই সংবাদ নিয়ে আপনাদের সামনে আসতে হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমরা আশা করেছিলাম তিনি আবারও সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।”

  • গণতন্ত্রের জন্য ত্যাগ: তিনি উল্লেখ করেন যে, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর পুরো জীবন গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে উৎসর্গ করেছিলেন। এমন এক আপসহীন নেত্রীর চলে যাওয়া জাতির জন্য এক চরম বিয়োগান্তক ঘটনা।

  • প্রধান উপদেষ্টার সহমর্মিতা: মহাসচিব জানান, বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তাঁকে ফোন করেছেন। ড. ইউনূস শোক প্রকাশ করেছেন এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে, তা নিশ্চিত করেছেন। এই শোকের মুহূর্তে হাসপাতালে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।

জনপ্রিয়

“গণতন্ত্রের মা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন”: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

প্রকাশিত : ০১:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই আবেগঘন বক্তব্য তাঁর প্রতি নেতাকর্মীদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যখন বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, তখন তাঁর কণ্ঠে ছিল গভীর শোক ও হাহাকার। তিনি বেগম জিয়াকে “গণতন্ত্রের মা” হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা কোনোদিন পূরণ হওয়ার নয়।

  • অপ্রত্যাশিত বিদায়: মির্জা ফখরুল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “এই সংবাদ নিয়ে আপনাদের সামনে আসতে হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমরা আশা করেছিলাম তিনি আবারও সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।”

  • গণতন্ত্রের জন্য ত্যাগ: তিনি উল্লেখ করেন যে, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর পুরো জীবন গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে উৎসর্গ করেছিলেন। এমন এক আপসহীন নেত্রীর চলে যাওয়া জাতির জন্য এক চরম বিয়োগান্তক ঘটনা।

  • প্রধান উপদেষ্টার সহমর্মিতা: মহাসচিব জানান, বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তাঁকে ফোন করেছেন। ড. ইউনূস শোক প্রকাশ করেছেন এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে, তা নিশ্চিত করেছেন। এই শোকের মুহূর্তে হাসপাতালে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।