০১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

রায় নিয়ে আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া: ‘শেখ হাসিনা খালাস পেলে আমি সবচেয়ে খুশি হতাম’

সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন মামলার বিচার প্রক্রিয়া এবং তাঁর প্রত্যাশা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।

বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তুষ্টি ও প্রত্যাশা

আইনজীবী আমির হোসেন ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁর সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার ভালোভাবে হয়েছে, স্বচ্ছ হয়েছে।”

তাঁর মক্কেল (শেখ হাসিনা) সম্পর্কে ব্যক্তিগত প্রত্যাশা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনা খালাস পেলে আমি সবচেয়ে খুশি হতাম।” তিনি আরও বলেন যে, একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি সর্বদা তাঁর মক্কেলের খালাস পাওয়ার আশাই করেন। তিনি বলেন, “আমি তো সবসময় আশা করি আমার মক্কেল (শেখ হাসিনা) খালাস পাবে। এটা আমার আশা, এটা আমার প্রত্যাশা। এটাই স্বাভাবিক কথা, আমার তো প্রত্যাশা থাকতেই হবে। এটা হৃদয় থেকেই বলছি।”

তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “আমি একজনের জন্য এত এত মাস ধরে মামলা করেছি, তা সে যদি খালাস পায় তা আমার চাইতে বেশি খুশি আর কে হবে।” সব মিলিয়ে, রাষ্ট্রনিযুক্ত এই আইনজীবী বিচার প্রক্রিয়া “ভালোভাবেই বিচার হয়েছে বলে আমি মনে করি” মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে

শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি কোনো রকম যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন জানান যে:

  • তিনি চেষ্টা করেননি, কারণ চেষ্টা করার কোনো বিধানও নেই।

  • শেখ হাসিনা বা তাঁর পক্ষ থেকে কেউই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা বা কোনো রকমের কোনো সহায়তাও করেনি।

  • তিনি বলেন, “প্রচ্ছন্নভাবেও যদি কোনো সহায়তা করতো সেটা আমার জন্য আরো ভালো হতো, কিন্তু সেটা কেউ করেনি। আইনগতভাবে বিধানও নেই।”

রাজসাক্ষী প্রসঙ্গে মন্তব্য

মামলার অন্যতম আসামি, যিনি রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হয়েছেন, সেই সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে আমির হোসেন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি বলেন, “উনি আমার মক্কেল না। উনার সম্পর্কে আমার কোনো কথা বলাও ঠিক না। কারণ আমি যাদের পক্ষে মামলা লড়ি তাদের পক্ষেই আমার বলা উচিত। যারা আমার আসামি না তার পক্ষে আমি কেন বলবো, এটা বলা ঠিক না, এটা সমীচীন না।”

জনপ্রিয়

রায় নিয়ে আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া: ‘শেখ হাসিনা খালাস পেলে আমি সবচেয়ে খুশি হতাম’

প্রকাশিত : ০২:৩২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন মামলার বিচার প্রক্রিয়া এবং তাঁর প্রত্যাশা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।

বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তুষ্টি ও প্রত্যাশা

আইনজীবী আমির হোসেন ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁর সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার ভালোভাবে হয়েছে, স্বচ্ছ হয়েছে।”

তাঁর মক্কেল (শেখ হাসিনা) সম্পর্কে ব্যক্তিগত প্রত্যাশা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনা খালাস পেলে আমি সবচেয়ে খুশি হতাম।” তিনি আরও বলেন যে, একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি সর্বদা তাঁর মক্কেলের খালাস পাওয়ার আশাই করেন। তিনি বলেন, “আমি তো সবসময় আশা করি আমার মক্কেল (শেখ হাসিনা) খালাস পাবে। এটা আমার আশা, এটা আমার প্রত্যাশা। এটাই স্বাভাবিক কথা, আমার তো প্রত্যাশা থাকতেই হবে। এটা হৃদয় থেকেই বলছি।”

তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “আমি একজনের জন্য এত এত মাস ধরে মামলা করেছি, তা সে যদি খালাস পায় তা আমার চাইতে বেশি খুশি আর কে হবে।” সব মিলিয়ে, রাষ্ট্রনিযুক্ত এই আইনজীবী বিচার প্রক্রিয়া “ভালোভাবেই বিচার হয়েছে বলে আমি মনে করি” মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে

শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি কোনো রকম যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন জানান যে:

  • তিনি চেষ্টা করেননি, কারণ চেষ্টা করার কোনো বিধানও নেই।

  • শেখ হাসিনা বা তাঁর পক্ষ থেকে কেউই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা বা কোনো রকমের কোনো সহায়তাও করেনি।

  • তিনি বলেন, “প্রচ্ছন্নভাবেও যদি কোনো সহায়তা করতো সেটা আমার জন্য আরো ভালো হতো, কিন্তু সেটা কেউ করেনি। আইনগতভাবে বিধানও নেই।”

রাজসাক্ষী প্রসঙ্গে মন্তব্য

মামলার অন্যতম আসামি, যিনি রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হয়েছেন, সেই সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে আমির হোসেন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি বলেন, “উনি আমার মক্কেল না। উনার সম্পর্কে আমার কোনো কথা বলাও ঠিক না। কারণ আমি যাদের পক্ষে মামলা লড়ি তাদের পক্ষেই আমার বলা উচিত। যারা আমার আসামি না তার পক্ষে আমি কেন বলবো, এটা বলা ঠিক না, এটা সমীচীন না।”