০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

সাঁজোয়া কোরের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাপ্রধানের আহ্বান: বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের সদস্যদের প্রতি আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বর্তমান বিশ্বের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সাঁজোয়া কোরের প্রত্যেক সদস্য ভবিষ্যতেও দেশ সেবায় তাদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন।

🗓️ সম্মেলনের আয়োজন ও উদ্দেশ্য

বুধবার (২৬ নভেম্বর) বগুড়া সেনানিবাসের আর্মড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (এসিসিঅ্যান্ডএস) সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোরের ইউনিট অধিনায়ক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা প্রদান এবং কোরসহ সমগ্র সেনাবাহিনীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা।

🗣️ সেনাপ্রধানের মূল বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর প্রধান তার বক্তব্যে সাঁজোয়া কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং মাতৃভূমির সেবায় এই কোরের অনন্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি জোর দেন যে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা নিশ্চিত করতে সাঁজোয়া কোরের প্রতিটি সদস্যকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের আরও উন্নত করতে হবে, যাতে তারা সকল প্রকার জটিল পরিস্থিতি সফলভাবে সামাল দিতে পারে। তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কোর এবং সামগ্রিকভাবে পুরো সেনাবাহিনীর উন্নয়নের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন।

👥 উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতি

সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, সাঁজোয়া কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট, জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার এবং এসিসিঅ্যান্ডএস কমান্ড্যান্ট।

এছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দেশের সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা:

জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড,সাঁজোয়া কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট,ডিজি এনএসআই (জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা),অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল,জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার,সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা,কমান্ড্যান্ট এসিসিঅ্যান্ডএস,সাঁজোয়া ব্রিগেডের প্রতিনিধিরা,সকল সাঁজোয়া ইউনিটের অধিনায়ক,গণমাধ্যমকর্মীরা

এই বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন সাঁজোয়া কোরের অপারেশনাল প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের বিশাল সংগ্রহ, টেক্টরের বিধ্বংসী ইনিংস

সাঁজোয়া কোরের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাপ্রধানের আহ্বান: বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি

প্রকাশিত : ০৪:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের সদস্যদের প্রতি আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বর্তমান বিশ্বের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সাঁজোয়া কোরের প্রত্যেক সদস্য ভবিষ্যতেও দেশ সেবায় তাদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন।

🗓️ সম্মেলনের আয়োজন ও উদ্দেশ্য

বুধবার (২৬ নভেম্বর) বগুড়া সেনানিবাসের আর্মড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (এসিসিঅ্যান্ডএস) সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোরের ইউনিট অধিনায়ক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা প্রদান এবং কোরসহ সমগ্র সেনাবাহিনীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা।

🗣️ সেনাপ্রধানের মূল বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর প্রধান তার বক্তব্যে সাঁজোয়া কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং মাতৃভূমির সেবায় এই কোরের অনন্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি জোর দেন যে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা নিশ্চিত করতে সাঁজোয়া কোরের প্রতিটি সদস্যকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের আরও উন্নত করতে হবে, যাতে তারা সকল প্রকার জটিল পরিস্থিতি সফলভাবে সামাল দিতে পারে। তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কোর এবং সামগ্রিকভাবে পুরো সেনাবাহিনীর উন্নয়নের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন।

👥 উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতি

সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, সাঁজোয়া কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট, জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার এবং এসিসিঅ্যান্ডএস কমান্ড্যান্ট।

এছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দেশের সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা:

জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড,সাঁজোয়া কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট,ডিজি এনএসআই (জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা),অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল,জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার,সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা,কমান্ড্যান্ট এসিসিঅ্যান্ডএস,সাঁজোয়া ব্রিগেডের প্রতিনিধিরা,সকল সাঁজোয়া ইউনিটের অধিনায়ক,গণমাধ্যমকর্মীরা

এই বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন সাঁজোয়া কোরের অপারেশনাল প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।